ঢামেক দ্বিতীয় বারের মতো সফলভাবে সম্পন্ন বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট

রবিবার, আগস্ট ৪, ২০১৯,৫:৫৮ পূর্বাহ্ণ
0
22

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক)হাসপাতাল দ্বিতীয় বারের মতো  সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে অ্যালোজেনিক বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট (বিএমটি)। গত ১ আগস্ট, বৃহস্পতিবার ঢামেক-এর হেমাটোলজি বিভাগের বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট ইউনিটের অধ্যাপক এম এ খানের নেতৃত্বে এই আধুনিক চিকিৎসা দেওয়া হয় ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ওয়াসিম (৩২) নামে এক রোগিকে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আবদুল্লাহ জুবায়ের ও অধ্যাপক ডা. মাফরুহা আক্তার রুমানা ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাফরুহা আক্তার রুমানা ।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টা থেকে শুরু করে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত দুই দফায় ওয়াসিমের শরীরে তার আপন বড় ভাইয়ের কাছ থেকে সংগৃহীত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট  করা হয়
সফলভাবে। রোগি ও ডোনার উভয়েই বর্তমানে ভাল আছে। প্রায় দুই সপ্তাহ রোগিকে থাকতে হবে হাসপাতালের বিশেষ বিএমটি কেবিনে।


জানা গেছে, ওয়াসিম
নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে সিঙ্গাপুরে কর্মরত ছিলেন। সেখানে ২০১৮ সালে তিনি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত । পরে তাকে দ্রুত  পাঠিয়ে দেওয়া হয় দেশে।   দেশে এসে প্রথমেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হেমাটোলজি বিভাগে অধ্যাপক এম এ খানের তত্ত্বাবধানে  শুরু হয় চিকিৎসা। তিনি কেমোথেরাপি নেওয়া শুরু করেন। তিন ধাপে কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পর একমাস পর আবারও লিউকেমিয়া ফিরে আসে যা  ধরা পড়ে রক্ত পরীক্ষায়। পরে রোগি ও তার পরিবারের সবার সঙ্গে আলোচনা করে অ্যালোজেনিক বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট-এর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ওয়াসির বড় ভাইয়ের সাথে শতভাগ ম্যাচ হওয়ায় তিনি ডোনার হন বোন ম্যারো ।

উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই  রাজবাড়ী জেলার নার্গিসের শরীরে
প্রথম অ্যালোজেনিক ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়। তিনি সুস্থ রয়েছেন বর্তমানে । ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ২০১৪ সালের মার্চ থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত ৪৩ জন রোগীর শরীরে  বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হয়েছে সফলভাবে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে