টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে পুলিশ কনস্টেবল সহ দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

সোমবার, আগস্ট ৫, ২০১৯,১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
0
39

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

টাঙ্গাইলে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার দায়ে  আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন পুলিশ কনস্টেবল স্বামীসহ দুইজনকে। সোমবার দুপুরে এই রায় দেন টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন। দণ্ডিতরা হলেন, কালিহাতী উপজেলার হিন্নাইপাড়া গ্রামের আবু হানিফের পুত্র পুলশ কনস্টেবল আব্দুল আলীম ওরফে সুমন (৩২) এবং তার বন্ধু একই গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে শামীম আল মামুন (২৯)। 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিশেষ সরকারি কৌশুলী (পিপি) একেএম নাছিমুল আক্তার জানান, দণ্ডিত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল আলীম শিল্প পুলিশে কর্মরত অবস্থায় ২০১১ সালের ৬ মে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফলিয়ারঘোনা গ্রামের সুলতান আহমেদের মেয়ে সুমি আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল যৌতুক হিসেবে । কিন্তু সুমির বাবা তিন লাখ টাকা দিলেও বাকি ছিল দুই লাখ টাকা । যৌতুকের বাকি টাকার জন্য আব্দুল আলীম প্রায়ই  নির্যাতন করতেন স্ত্রীকে। একপর্যায়ে তিনি স্ত্রী সুমি আক্তারকে পাঠিয়ে দেন বাবার বাড়ি । ২০১২ সালের ২০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে আলীম তাঁর স্ত্রীকে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। পরে তাঁকে ঢাকার তুরাগ থানার বেড়িবাঁধ এলাকায় নিয়ে অপর দণ্ডিত শামীম আল মামুনের সহায়তায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে। 

পরে আব্দুল আলীম গ্রেফতার হওয়ার পর  আদালতে জবানবন্দী দেন হত্যার কথা স্বীকার করে। এ ব্যপারে নিহত সুমির মা বাদী হয়ে দণ্ডিত দুইজনের নামে মামলা দায়ের করেন টাঙ্গাইল সদর থানায় । ঘটনার পর আব্দুল আলীম পুলিশ কনস্টেবল পদ থেকে বরখাস্ত হয়ে কারাগারে আছেন। দুইজনকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে নেওয়া হয় সোমবার রায় ঘোষণার পর ।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে