জি কে শামীম ও শফীকুল আলমকে ১০ দিনের রিমান্ড, জিজ্ঞাসাবাদ চলছে খালেদের

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯,৫:১৬ পূর্বাহ্ণ
0
118

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে ১০ দিনের রিমান্ডে (জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজত) পেয়েছে পুলিশ। গত শুক্রবার বিকেলে গুলশানের নিকেতন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করার পর গতকাল শনিবার দুপুরে তাঁকে গুলশান থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করে র‌্যাব। তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করেছে আগ্নেয় অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনে। গতকাল সন্ধ্যায় পুলিশ তাঁকে আদালতে পাঠিয়ে ১৪ দিনের রিমান্ড চায়। আদালত ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে সাত দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। গতকাল রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন পার হয়েছে। খালেদের বিরুদ্ধে গুলশান ও মতিঝিল থানায় চারটি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজকে গতকাল আদালতে পাঠিয়ে ধানমণ্ডি থানার পুলিশ ২০ দিনের রিমান্ড চায়। আদালত ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গুলশান থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জি কে শামীমের বিরুদ্ধে র‌্যাবের পক্ষ থেকে মাদক, মানি লন্ডারিং ও অস্ত্র আইনে তিনটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় আসামি হিসেবে জি কে শামীমসহ গ্রেপ্তার হওয়া আটজনকে রিমান্ডে চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে যুবলীগ নেতা জি কে শামীম ও তাঁর সাত বডিগার্ডকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাবে।

গত শুক্রবার বিকেলে তাঁকে আটক করা হয় গুলশানের নিকেতন এলাকায় শামীমের অফিসে অভিযান চালিয়ে। অভিযানে নগদ এক কোটি ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ১৬৫ কোটি টাকার বেশি মূল্যের এফডিআর (স্থায়ী আমানত) পাওয়া যায়, যার মধ্যে তাঁর মায়ের নামে ১৪০ কোটি আর নিজের নামে ২৫ কোটি টাকা।মার্কিন ডলার, মাদকদ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্রও পাওয়া যায়।

শফিকুল আলম ফিরোজের বিরুদ্ধে দুটি মামলায় ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম মাহমুদা আক্তার শুনানি শেষে অস্ত্র মামলায় পাঁচ দিন এবং মাদক আইনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শফিকুল আলম ফিরোজকে অবৈধ অস্ত্র ও গন্ধহীন হলুদ রঙের ইয়াবা বড়িসহ গত শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

রিমান্ডের আবেদনে জানানো হয়, শফিকুল আলম ফিরোজ প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ক্রীড়াচক্রের কর্মকাণ্ডের আড়ালে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়সহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপও চলে আসছিল। জব্দ করা আগ্নেয়াস্ত্রটি দিয়ে তিনি ভয় দেখাতেন। ধানমণ্ডি থানার এসআই আশিকুর রহমান ও এসআই নূরুদ্দিনের দেওয়া এ প্রতিবেদনে ফিরোজকে দুটি মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে