জাতীয় বীমা দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

মঙ্গলবার, মার্চ ১, ২০২২,১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
0
32

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আজ ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“বীমায় সুরক্ষিত থাকলে, এগিয়ে যাব সবাই মিলে’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তৃতীয়বারের মতো জাতীয় বীমা দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বীমা প্রতিষ্ঠান, গ্রাহকসাধারণসহ বীমা শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মুক্তিকামী মানুষকে সকল প্রকার শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মুক্তি দিয়ে স্বনির্ভর ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন জাতি হিসেবে পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে আজীবন অক্লান্ত পরিশ্রম করে গিয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অধিকাংশ সময় অতিবাহিত হয়েছে জেল- জুলুম সহ্য করে এবং কঠিন আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে। তিনি ১৯৬০ সালের ১ মার্চ আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডে যোগদানের মাধ্যমে বীমাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। এ ‍দিনটি স্মরণে প্রতিবছর ১ মার্চ জাতীয় বীমা দিবস পালন বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি বীমা শিল্পের উন্নয়নেও সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

একটি কল্যাণ রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বীমা অন্যতম অনুষঙ্গ। মানুষের জীবন ও সম্পত্তি বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির মধ্যে থাকে। এসকল ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মতো জটিল কাজ আর্থিক খাতে একমাত্র বীমার মাধ্যমেই করা হয়ে থাকে। সমাজে বয়োবৃদ্ধদের  স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিরসন এবং পেনশন বীমার মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও বীমা একটি কার্যকর ব্যবস্থা  হিসেবে কাজ করছে। তাই ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য নন-লাইফ বীমা এবং জীবনের ঝুঁকির জন্য জীবন বীমা ও স্বাস্থ্য বীমা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৩৫টি লাইফ ও ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স মিলে দেশে বর্তমানে ৮১টি বীমা প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সাধারণ জনগণই বীমা শিল্পের প্রাণ। একমাত্র গ্রাহকের আস্থা অর্জনের মাধ্যমেই এ শিল্পের বিকাশ সম্ভব। তাই বীমা সেবাকে একটি নির্ভরযোগ্য আর্থিক নিরাপত্তা বিধানের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরো নিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্বের সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। গ্রাহকের বীমা দাবি যথাসময়ে পরিশোধ, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিসমূহ প্রতিপালন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ ও গ্রাহকবান্ধব সেবা প্রদানে এগিয়ে আসতে আমি বীমা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আমি বাংলাদেশের বীমা শিল্পের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি।

‘জাতীয় বীমা দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচি সফল হোক-এ কামনা করছি।

জয় বাংলা।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে