জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস আজ

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০২০,৭:০৭ অপরাহ্ণ
0
18

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

আজ মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ১৬তম বর্ষে পদার্পণ করছে। পুরান ঢাকার এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু দেড় দশকেও বিদ্যমান নানামুখী সংকটের সমাধান হয়নি। তারপরও সংকটকে সঙ্গী করেই আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথে হেঁটে চলেছে বিদ্যায়তনটি।

জানা যায়, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৮৫৮ সালে, ব্রাহ্মদের স্কুল হিসেবে। ১৮৭২ সালে এর নাম বদলে রাখা হয় জগন্নাথ স্কুল। পরে তা কলেজে উন্নীত হয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৫ সালে জাতীয় সংসদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৫ পাসের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রথম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা সনদ লাভ করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। বর্তমানে মোট ছয়টি অনুষদের অধীনে ৩৬টি বিভাগ ও দুটি ইনস্টিটিউট রয়েছে। ৬৭৯ জন শিক্ষকের বিপরীতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ হাজার ১৬৫। 

বিশ্ববিদ্যালয়টি মাত্র ১১.১১ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। অবশ্য গত বছরের ৯ অক্টোবর কেরানীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন প্রকল্পে ১৯২০ কোটি ৯৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকার প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। কিন্তু এক বছর পার হলেও ভূমি অধিগ্রহণ ছাড়া প্রকল্পে আর কোনো অগ্রগতি নেই। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে আজ সকাল ৯.১০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনা করা হবে এবং ৯.১৫ মিনিটে বেলুন উড়িয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের শুভ উদ্ধোধন করা হবে। এরপর সকাল ৯.৩০ মিনিটে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের উদ্ধোধন করবেন ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। এছাড়া ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল আলোচনাসভা এবং সংগীত বিভাগের উদ্যোগে পরবর্তীতে ভার্চুয়াল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিকাংশ শিক্ষকরা বিদেশ থেকে পড়ালেখা করে বা প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়ে আসছে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করার দেশের মেধাবী শিক্ষার্থী আসছে। সব মিলিয়ে আমরা মেধাবী শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। যার ধারাবাহিকতায় আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন পরীক্ষায় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় ভাল ফলাফল করছে। এর বাইরে আমরা ছাত্রীদের আবাসন সংকট দূর করতে সক্ষম হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সংকট দূর হয়েছে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে