কোভিড-১৯ পরবর্তী বিশ্ববাণিজ্যের সুযোগ গ্রহণের সময় এসেছে

বৃহস্পতিবার, মে ২১, ২০২০,১২:২৩ অপরাহ্ণ
0
27

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিবর্তিত বিশ্ববাণিজ্যের সুযোগ গ্রহণের সময় এসেছে। বাংলাদেশ বিশ্ববাণিজ্য প্রতিযোগিতায় অনেক এগিয়ে গেছে। বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের নতুন স্থান সন্ধান করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকনোমিক জোনে বিশ্বের অনেক দেশ ও প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে এগিয়ে এসেছে। চলমান বিশ্বপরিস্থিতিতে জাপান চীন থেকে তাদের বিনিয়োগ অন্য দেশে স্থানান্তরের কথা বলছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এতে করে বাংলাদেশের জন্য একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

          মন্ত্রী গতকাল বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সার্বিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “বাণিজ্য সহায়ক পরামর্শক কমিটির” ৭ম সভায় সভাপতিত্বকালে এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, এমপি, এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি মফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমই এর প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হক, এনবিআরএর চেয়ারম্যান, পারাষ্ট্রসচিব, শিল্পসচিব এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রতিনিধি।

          অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দু’টি খাত একটি রপ্তানি অপরটি রেমিটেন্স। চলমান পরিস্থিতিতে তৈরি পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ক্রয় আদেশ বাতিল না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনেক দেশ ইতোমধ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ক্রয় আদেশ বাতিল করবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে ঔষধ আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের যাতে থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার কোন সমস্যা না হয়, সেজন্য অনুরোধ জাননো হয়েছে। এ দায়িত্ব পালনের নিশ্চয়তা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো। সময়পযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ আসবে এবং রপ্তানিও অনেক বাড়বে।

          শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, দেশে শিল্প কলকারখানা স্থাপনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগবান্ধব নীতি গ্রহণ করেছে। আমাদের বিনিয়োগ পলিচি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জানাতে হবে। আমরা সবধরণের সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত। দেশে শিল্প কারখানা গড়ে উঠলে কর্মসংস্থান বাড়বে।           প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছে। সময় নষ্ট না করে এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। দ্রুত তালিকা তৈরি করে বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগযোগ করে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পলিচি ও সুযোগ সুবিধা ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে হবে। প্রয়োজনে এজন্য একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা যেতে পারে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে