[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
জাতীয় কৃষক সমিতির সভাপতি জনাব মাহমুদুল হাসান মানিক ও সাধারণ সম্পাদক জনাব আমিনুল ইসলাম গোলাপ ও বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব নজরুল হক নীলু ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রাজু এক যুক্ত বিবৃতিতে সারাদেশের কৃষক-খেতমজুর নেতৃবৃন্দকে রোরো চাষীসহ সকল কৃষকদের সহযোগিতা করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করার আহবান জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, পৃথিবীব্যাপী যে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে তা বাংলাদেশেও ব্যাপকরূপ লাভ করেছে। বাংলাদেশেও আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যে অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। সারাদেশে লকডাউন চলছে। এ অবস্থায় ভীত সন্ত্রস্ত মানুষ খেতে কাজ করতে চাচ্ছেন না। এমতাবস্থায় কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে এই দুর্যোগের মধ্যে যদি বোরো ও হাওড়ের ধান ঠিকমতো কাটা না যায় তাহলে ভয়ঙ্কর খাদ্যাভাবে বাংলাদেশ পতিত হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে কৃষি-কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। সারাদেশের জাতীয় কৃষক সমিতি ও বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ কিছু এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক টিম গড়ে তুলছেন, ধান কাটতেও সহযোগিতা করেছেন। ধান ছাটাই, রক্ষণাবক্ষেণ ও বাজারজাত করণের ক্ষেত্রেও তাদের ভূমিকা রাখতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে উৎপাদিত ফসলের একটি কণাও যেন নষ্ট না হয়।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, করোনা ভাইরাস পরবর্তী বাংলাদেশের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে কৃষির উপর সর্বাধিক জোর দিতে হবে। নেতৃবৃন্দ কৃষকদের উৎপাদিত ধানের লাভজনক মূল্য পায় তা নিশ্চিত করার আহবান জানান। সরাসরি খোদ কৃষকদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মোটা ধান ১০৪০ টাকা ও একইভাবে অন্যান্য ধানের মূল্য নির্ধারণ করে ক্রয় করার জন্য তাগিদ দিতে হবে। কোনভাবেই মধ্যসত্তভোগী দালালরা যুক্ত হতে না পারে সে ব্যাপারে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক রাখতে সহয়তা করতে হবে।


























