করোনায় সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা সম্ভব হয়েছে

সোমবার, নভেম্বর ৯, ২০২০,১২:১৬ অপরাহ্ণ
0
11

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

          শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপযোগী এবং দৃঢ় পদক্ষেপের ফলে করোনার মধ্যেও সরকার শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে গার্মেন্টস-সহ সকল কলকারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছে।

          প্রতিমন্ত্রী গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন এবং  গ্লোবাল এলায়েন্স ফর ইমপ্রোভড নিউট্রিশন (এঅওঘ) এর যৌথ আয়োজনে দ্বিতীয় সাসটেইনেবল এপারেল সামিট, ২০২০ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

          শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির শুরুতেই দেশের সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হিসেবে গার্মেন্টস খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  গার্মেন্টস শ্রমিকসহ ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের উপর কোভিড-১৯ এর প্রভাব হ্রাস করার জন্য ৩১-দফা নির্দেশনা জারি করেন। সরকার পুনরুদ্ধার প্যাকেজ হিসেবে ১৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করেছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতনের জন্য প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন অংশীদাররাও আমাদের প্রচেষ্টায় সহায়তা করছে বলে জানান।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শ্রমিকদের জন্য টেলিমেডিসিন সেবা চালু এবং আইএলও এর সহযোগিতায় কোভিড-১৯ প্রতিরোধে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি গাইডলাইন তৈরি করেছে। সংকট নিরীক্ষণের জন্য ২৩টি ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে উল্লেখ করেন।

          শ্রম প্রতিমন্ত্রী গার্মেন্টস শ্রমিকদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে গঠিত তাঁর মন্ত্রণালয়ের অধীন কেন্দ্রীয় তহবিলের সহায়তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের মৃত্যুজনিত সহায়তা, স্থায়ী পঙ্গুত্ব, দুর্ঘটনায় আহত, দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শ্রমিকদের চিকিৎসা এবং তাদের সন্তানদের উচ্চ শিক্ষা সহায়তা হিসেবে প্রায় ৮৭ কোটি টাকা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, যার মধ্যে শুধু মৃত্যুজনিত সহায়তা হিসেবেই ৮১ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

          সামিট এর সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হেলথ ইকোনোমিক ইউনিট এর মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাহাদত হোসেন মাহমুদ, বিকেএমইএ এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হাতেম, বিজিএমইএ এর স্বাস্থ্য সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ হানিফুর রহমান লোটাস এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস ওয়ার্কার লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি বক্তৃতা করেন।

          সাসটেইনেবল এপারেল সামিটের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ওয়ার্কফোর্স সেন্ট্রিক সাসটেইনেবিলিটি ইন আরএমজি সেক্টর’।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে