ওলামা লীগসহ ১৩ দলের মানববন্ধন

সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২০,১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
0
34

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

আজ (১২ অক্টোবর)  ১২ দফা দাবী জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ দল বাংলাদেশ জাতীয় প্রেসক্লবের সামনে মানববন্ধন করেছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম। এদেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান। কিন্তু মুসলমান জানেনা তাদের নবী-রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জীবনী মুবারক। মুসলমান হিসেবে নবী করীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত মুবারক আজ মুসলমানদের মাঝে নেই। এর কারণ হচ্ছে বর্তমানে যথাযথভাবে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা হচ্ছেনা। অথচ স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু নিজ উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছিলেন।

কিন্তু ৭৫ এর পরে মওদুদী ইসলামীদের কারণে দেশে ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন বন্ধ হয়ে যায়। এরপরবর্তীতে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার এসে পূনরায় পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রবর্তন করেন।  কিন্তু এখনও মওদুদী, ওহাবী, খারেজীরা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, পবিত্র মীলাদ শরীফ ইত্যাদি প্রচার-প্রসারের পরিবর্তে সন্ত্রাসীবাদ, মৌলবাদ, মওদুদীবাদ, ওহাবী-খারেজী মতবাদ ইত্যাদি প্রচার করে যাচ্ছে।

এদেরকে অবিলম্বে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলায় অভিযুক্ত করে বিচার করতে হবে। এবং সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বাজেট বরাদ্দ করে সারা দেশব্যাপী পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে হবে। তাতে করে দেশের গনগণের মাঝে ছহীহ ইসলামী আদর্শের উজ্জীবিম হবে। এবং জনগণ মাদক-সন্ত্রাস, ভেজাল, দুর্নীতি, ধর্ষণ তথা অপরাধ প্রবণতা থেকে মুক্ত হবে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার টন ইলিশ পাঠানো হলেও ভারত বাংলাদেশে পেয়াজ রফতানী বন্ধ করে উল্টো ভারতীয় পচা গোশত পাঠিয়ে এদেশের পোল্ট্রি শিল্প ধ্বংস ও জনস্বাস্থ্য হুমকীর মুখোমুখি করছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, এদেশে এতোদিন যাবত কোন ধর্ষণ প্রবণতা ছিলনা। এখন এটা মহামারীরূপে ব্যাপকতা ছড়াচ্ছে। এর পেছনে মূল কারণ হলো স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রচার প্রসার। কাজেই এদেশে ধর্ষণ প্রবণতা রুখতে হলে ভারতীয় চলচ্চিত্র, পর্নোগ্রাফি ইত্যাদি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
সমাবেশে বক্তরা বলেন, আন্তর্জাতিক ষড়ন্ত্রী ও কুচক্রীমহল দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে বন্ধ এবং দেশের অবস্থা পুনরায় নাজুক করার জন্য জনগণকে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার জন্য আসন্ন শীতকালে দ্বিতীয় দফা করোনার কথা প্রচার করছে। অথচ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, বাংলাদেশে করোনার ‘দ্বিতীয় ঢেউ’ বলতে কিছু আসেনি। আর করোনার প্রথ ও দ্বিতীয় ঢেউ বলতে বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই। অন্য কোনো দেশেও ঢেউ বলতে কিছু নেই। ভাইরাল এপিডিমিক ডিজিসের ক্ষেত্রে প্রথম ওয়েভ কিংবা দ্বিতীয় এ্যাটাক বলতে যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই। আসলে করোনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ওয়েভ নেই।

দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৫ শতাংশ অ্যাজমা ও ৬ শতাংশ দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগ বা সিওপিডিতে আক্রান্ত। শীতের সময় সাধারণত তাদের এ সংক্রান্ত জটিলতা তুলনামূলক বেড়ে যায়। তাপমাত্রার সঙ্গে সরাসরি করোনা সংক্রমণের হ্রাস-বৃদ্ধির বিষয়টি এখনও প্রমাণিত না হলেও শীতের সময় অ্যাজমা, দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্র ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্তদের জন্য ঝুঁকি অনেক বেশি। কারণ এই সময় এসব রোগীর অবস্থা নাজুক থাকে। কিন্তু এটাকেই দ্বিতীয় করোনা বলে প্রচার করে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কাজেই সরকারী ও বেসরকারী এ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে