উপমহাদেশের মহাতারকা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবনাবসান

সোমবার, নভেম্বর ১৬, ২০২০,১২:২১ পূর্বাহ্ণ
0
6

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

উপমহাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় মারা গেছেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কর্মময় পথচলা শেষ হলো ৮৬ বছরে। হাসপাতালে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর রবিবার ১২টার পরে না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রবীণ এই মহাতারকা, অভিনেতা-নাট্যকার-বাচিকশিল্পী-কবি ও চিত্রকর। ভারতের একাধিক গণমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

গত শুক্রবার থেকে সৌমিত্রর শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি ঘটতে থাকে। হৃদযন্ত্র আর কিডনির জটিলতা অনেকটা বেড়ে যায়। বেড়ে যায় ‘হার্ট রেট’। বাড়তে থাকে স্নায়ুবিক সমস্যাও। প্রবলভাবে ওঠানামা করতে থাকে অক্সিজেনের মাত্রা। শনিবার বিকেলে  চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, অলৌকিক কিছু না ঘটলে সৌমিত্রের সুস্থ হয়ে ওঠা অসম্ভব। 

এর আগে বেল্ভিউ হাসপাতলের এক চিকিৎসক জানান, প্রবীণ অভিনেতার স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব ফেলেছে কভিড এনসেফেলোপ্যাথি। তার জেরে ‘সব চেষ্টা’ ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। গত ৪০ দিন ধরে নিউরোলজি, নেফ্রোলজি, কার্ডিওলজি, ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিন, আইডি বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের একটি দল তাঁর চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন। ওই চিকিৎসকের কথায়, ‘স্টেরয়েড, ইমিউনোগ্লোবুলিন (অ্যান্টিবডি), কার্ডিয়োলজি, অ্যান্টি-ভাইরাল থেরাপি, অনাক্রম্যতা – সব রকমের চেষ্টা করেছি আমরা।’ 

তিনি বলেন, ‘আমরা দুঃখিত যে উনি সাড়া দিচ্ছেন না। আমরা শেষ চেষ্টা করছি। ওঁনার পরিবারও সেটা মেনে নিয়েছে। উনি প্রায় এমন জায়গায় আছেন, যেখান থেকে ফেরা কার্যত অসম্ভব।’

গত ৬ অক্টোবর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বেলভিউ হাসপাতালে ভর্তি হন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এরপর ১৪ অক্টোবর অভিনেতার কভিড-১৯ রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু কভিড এনসেফেলোপ্যাথির কারণে তাঁর স্নায়ুতে প্রভাব পড়ে। এর পর থেকেই প্রায় অচেতন তিনি। মাঝে কয়েক দিন চোখ মেলে সাড়া দিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ আবার তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে