[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বাংলাদেশকে ছাতক গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণের ক্ষতিপূরণ দিবে নাইকো। প্রত্যক্ষ ক্ষতিপূরণ ছাড়াও জনসাধারণের পুনর্বাসন, বিস্ফোরণের ফলে জনসাধারণের স্বাস্থ্যহানি, ভূমির ক্ষতিসহ পরিবেশগত ক্ষতিপূরণও নাইকোর কাছ থেকে আদায় করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী গতকাল তাঁর বাসভবন থেকে “আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত সালিশি আদালত (ইকসিড)-এ নাইকো মামলায় বাংলাদেশের জয়” সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
২০০৩ সালে নাইকো-বাপেক্স যৌথ উদ্যোগে একটি চুক্তির মাধ্যমে ছাতক গ্যাসক্ষেত্রটি উন্নয়নের দায়িত্ব পায় নাইকো। ২০০৫ সালে ৭ জানুয়ারি ছাতক গ্যাসক্ষেত্রে নাইকো কর্তৃক খনন কার্যক্রম পরিচালনার সময় বিস্ফোরণ ঘটে যা ঐ গ্যাস ক্ষেত্র ও তার সন্নিহিত এলাকার পরিবেশ ও জনজীবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সরকার বিশেষজ্ঞদের অভিমত নিয়ে ২৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে বাপেক্সের জন্য ১১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ও বাংলাদেশের জন্য ৮৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নাইকোর কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে ইকসিড-এ দাবি উত্থাপন করেছে।
নাইকো, ২০১০ সালে ছাতক গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের জন্য তারা দায়ী নয় মর্মে ঘোষণা চেয়ে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত সালিশি আদালত (ইকসিড)-এ একটি সালিশি মোকাদ্দমা দায়ের করে। দশ বছরের সুদীর্ঘ জটিল আইনী প্রক্রিয়া শেষে ইকসিড ট্রাইব্যুনাল ২০০৫ সালের বিস্ফোরণের জন্য যৌথ উদ্যোগ চুক্তির অধীন শর্তসমূহ ভঙ্গের জন্য নাইকোকে দায়ী করে তাদের অভিযুক্ত করে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে এক যুগান্তকারী রায় প্রদান করে । নাইকো দক্ষতার সাথে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে এবং পেট্টোলিয়াম শিল্পের আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে বলে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল রায় প্রদান করেছেন।
ভার্চুয়াল এই প্রেস ব্রিফিং- এ অন্যান্যের মাঝে জ্বালানি ও খনিজ
সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব
মোঃ আনিছুর রহমান,পেট্টোবাংলার চেয়ারম্যান এ বি এম আবদুল ফাত্তাহ ও দেশের
স্বনামধন্য সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।


























