আগস্ট ষড়যন্ত্রের মাস, ষড়যন্ত্র এখনো অব্যাহত

রবিবার, আগস্ট ২২, ২০২১,১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
0
2

[ + ফন্ট সাইজ বড় করুন ] /[ - ফন্ট সাইজ ছোট করুন ]

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ মুরাদ হাসান বলেছেন; বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগস্ট মাস একটি ষড়যন্ত্রের মাস হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে ঘাতকেরা এ দেশ থেকে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাদের সেই চেষ্টা সফল হয়নি। তাই ঘাতকরাও থেমে থাকেনি। তারা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। তাতেও তারা সফল হয়নি। আওয়ামী লীগ পরিবারের একজন কর্মীও বেঁচে থাকলে ওই ঘাতকদের চেষ্টা সফল হবে না।

গতকাল নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলা পরিষদে বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম মাজহারুল হক অডিটোরিয়ামে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত ‘জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আহত ও নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে শেখ হাসিনার সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ইতিহাসের নৃশংসতম গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা আইভি রহমানসহ ২৪ জনকে হত্যা করেছিল। ভাগ্যজোরে সেদিনের সে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা থেকে শেখ হাসিনা রক্ষা পেয়েছিলেন।

আবার ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জামায়াত-শিবির ও জঙ্গিবাদের দোসররা সারা দেশে ৫শ‘ স্থানে একযোগে বোমাহামলা করে তাদের জঙ্গিবাদী শক্তির প্রকাশ ঘটিয়েছিল। তাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগস্ট মাসকে সবাই কলঙ্কিত ও শোকের মাস হিসেবে গণ্য করে থাকে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের ওই গ্রেনেড হামলা ছিল মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া দল আওয়ামী লীগের ওপর সবচেয়ে বড় আঘাত। বিশ্বাস ঘাতকেরা এখনো লুকিয়ে আছে, বলেন ডা. মুরাদ হাসান।

ডা. মুরাদ বলেন, সতের বছর আগের সেই দিনটিও ছিল শনিবার। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সেটাও ছিল ভয়ঙ্কর আরেক অগাস্ট। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া জড়িত ছিলেন।  পাকিস্তানপন্থী বিএনপি-জামায়াতের বাংলাদেশের মাটিতে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলা। রাজনৈতিক বিরোধীদের নির্মূল করার জন্যই এই হামলা চালানো হয়।

অনুষ্ঠানে গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আহতদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী  বলেন, ‘বিএনপি- জামায়াতচক্র এখনো বাংলাদেশকে একটি জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এ ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ও চক্রান্তকারীদের বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকারও আহবান জানান তিনি।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু। উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আহম্মেদুল কবীর উজ্জ্বল এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সুব্রত পাল, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু মনির মোঃ শহীদুল হক রাসেল।

বিঃদ্রঃ মানব সংবাদ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে